কায়িক শ্রমের পরিচয় (পাঠ ১২)

কর্মেই আনন্দ - কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা - ষষ্ঠ শ্রেণি | NCTB BOOK

2.6k

কায়িক শ্রম বলতে আমরা আসলে শারীরিক পরিশ্রমকে বুঝি। প্রায় সব ধরনের শারীরিক পরিশ্রম কায়িক শ্রমের অন্তর্ভুক্ত। হাঁটা- চলা যেমন এক ধরনের কায়িক শ্রম, তেমনি খেলাধুলা করাও এক ধরনের কায়িক শ্রম। এ ছাড়াও অনেক পেশাজীবী আছেন, যারা নিয়মিত কায়িক শ্রম দিয়ে জীবিকা অর্জন করে থাকেন। যেমন- রিকশাচালক; তিনি সারা দিন রিকশা চালান। রিকশা চালাতে তার অনেক শারীরিক পরিশ্রম হয়। রিকশা চালাতে তার যে শারীরিক পরিশ্রম হয়, তাই কায়িক শ্রম। রিকশাচালক ছাড়াও রয়েছেন কৃষক, শ্রমিকসহ নানা পেশার মানুষ, যারা নানা রকম কায়িক শ্রমের সাথে যুক্ত।

তবে শুধু ভারী ভারী কাজ করাই যে কায়িক শ্রম তা কিন্তু নয়, আসলে যেকোনো ধরনের পরিশ্রমই কায়িক শ্রম। এই যেমন- বারান্দায় হাঁটাহাঁটি করা; কিন্তু এ ক্ষেত্রে শ্রমের পরিমাণ এতটাই কম যে, আমরা তা বিবেচনার মধ্যেই আনি না। আমরা বাড়িতেও অনেক কাজ করি। থালা বাসন ধোয়া, কাপড় ধোয়া, ঘর- দোর পরিষ্কার করা ইত্যাদি। এসব কাজও কায়িক শ্রমের উদাহরণ।

যাঁরা বিখ্যাত হয়েছেন, তাঁরা সবাই কায়িক শ্রমকে অনেক মূল্যায়ন করেন। প্রত্যেক ধর্মেও কায়িক শ্রমের প্রতি উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। কায়িক শ্রম আমাদের নানা রকম শারীরিক সমস্যা থেকে দূরে রাখে। আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে।

কাজ
তুমি তোমার পাশে বসা সহপাঠীর সাথে আলাপ করে বের করো যে তোমরা সারাদিন কী কী কায়িক শ্রমের কাজ করো।
Content added By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...